মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮

জৈন্তাপুরে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ৬ কেজি গ্যাস

সিলেটের জৈন্তাপুরের পল্লীতে একটি অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার কারখানা সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। অবৈধভাবে গ্যাস রিফিলিংয়ের দায়ে কারখানার মালিক ফজর আলীকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। জাফলং মামার বাজারের ব্যবসায়ী মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা গ্রামের আব্দুল মালিক ওরফে ঠাডা মালিকের ছেলে ফজর আলী দীর্ঘদিন গ্যাস, চুলা, সিলিন্ডারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। গত প্রায় ৪ মাস জৈন্তাপুর উপজেলার রাংপানি এলাকার নির্জন পল্লীর সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পরিত্যাক্ত জায়গা দখল করে একটি গ্যাস রিফিলিং কারখানা চালু করে।  সে সিলেট শহর হতে গ্যাস সিলিন্ডার সংগ্রহ করে কারখানায় নিয়ে আসে এবং  কারখানায়  ১২কেজির সিলিন্ডার হতে গ্যাস রিফিলিং করে ৬ কেজিতে রূপান্তর করে নেয়। 
 
পরে সিলিন্ডারগুলো জাফলং এলাকার বিষেশ করে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকা জাফলং মামার বাজার, বল্লাঘাট, সোনাটিলা, নয়াবস্তিসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে থাকে। মানুষ বুঝতেই পারে না যে কিভাবে তারা প্রতারিত হচ্ছে। 
 
গত ২১ অক্টোবর রবিবার বিকালে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ফোর্স নিয়ে উপস্থিত হয়ে কারখানাটি দেখতে পান। ঘরে রক্ষিত নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় ফজর আলীর গ্যাস রিফিলিংয়ের কার্যক্রম ধরা পড়ে।  পরে এসব নতুন-পুরাতন ১৩৬টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ফজর আলীকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 
 
২২ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির হয়ে ফজর আলী নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করলে ভ্রাম্যমান আদালত সিলিন্ডার কারখানাটি সিলগালা করে দেয়। ফজর আলীকে নগদ ৫০হাজার টাকা জরিমানা করে।  
 
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ  অভিযান পরিচালনা করে ১৩৬টি সিলিন্ডার জব্দ করি। তার অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ফজর আলীকে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।