মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮

মাস্টার্স প্রিলি ভর্তির দাবীতে সিলেটে জাবি'র ভিসি বরাবর স্মারকলিপি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১২-১৩ সেশনে পাশকৃতদের মাস্টার্স প্রিলি ভর্তি বিজ্ঞপ্তিসহ ৩ দফা দাবীতে ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সিলেটের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জনাব আব্দুল খালেক এর নিকট তারা এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। 
এতে সিলেট সরকারী কলেজ থেকে স্নাতক সমাপনকারী ছাত্র জুনেদুর রহমান, শাহিনুর আলম, সুয়েজ আহমদ, আবুল কালাম শিপলু, এমসি কলেজের শিক্ষার্থী জোবায়ের আহমদ, মোহনলাল রায়, শাহনুর আহমদ, মাসুদ আহমদ, রুহুল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, সুমন দেব নাথ, মদনমোহন কলেজের শিক্ষার্থী বিপ্লব সুত্রধর, মামুন আহমদ, সায়েম আহমদ, লিটন দে, সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী আতিকা আনজুম, রাহেলা বেগম, নীলা রয়, শাহিনা বেগম, বৃন্দাবন কলেজ, হবিগঞ্জ এর শিক্ষার্থী শাওন আহমদ, মনোয়ার হোসেন, মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী সন্তুষ চক্রবর্তী, আলী হোসেন, রিজভী আহমদ, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সুফিয়ান আহমদ, রিয়াজ উদ্দীন, গোয়ালাবাজার মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী রুহেনা বেগম, ইসরাত আরা, বালাগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থী শাপলা আক্তার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে মাস্টার্স প্রিলি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ ৩ দফা দাবী মেনে নেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান। অন্যথায়, আগামী সপ্তাহে থেকে তীব্র আন্দোলনে নামবে শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ডিগ্রি(পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স (পুরাতন সিলেবাস) পরীক্ষার ফল গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হয়। এতে দুই লাখ ১০ হাজার ২৮৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ডিগ্রি (পাস) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যৌথ বলেন, আমরা ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলাম। তিন বছরের কোর্স শেষ করতে আমাদের সাড়ে পাঁচ বছর লেগেছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের নতুন সিলেবাস ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাস্টার্স করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অন্যায়। খেয়াল খুশিমতো শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করার অধিকার কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেই। দ্রুত মাস্টার্স ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেয়া না হলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।