মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

হামলার ঘটনা আড়াল করতেই পরিবহন ধর্মঘট !

স্টাফ রিপোর্টঃ হামলার ঘটনা আড়াল করতেই বাস মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন বাস টার্মিনালের ইজারাদার ও সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার মহসীন কামরান।
  
মহসীন কামরান বলেন, সিলেটের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের তাজমহল রেস্টুরেন্টের ভাড়া উচ্চ আদালতের আদেশ বলে ইজারাদাররাই দাবিদার। কিন্তু টার্মিনাল ও রেস্টুরেনেন্টের ভাড়া আদায়ে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ান জেলা বাস মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতা আবুল কালাম ও জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক। 

এ দু’জন পুরো বাস টার্মিনাল জিম্মি করে রেখেছেন দাবি করে মহসীন কামরান বলেন, গত ১৭ অক্টোবর তাজমহল রেস্টুরেন্টের ভাড়া আদায় করতে গেলে কালাম ও ফলিকের লোকজন হামলা করে। হামলায় আহত হন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহীন। বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। হামলার ঘটনাকে আড়াল করতে পরিবহন শ্রমিকদের কাজে লাগিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয় তারা।
বক্তব্যে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ইজারা নেন তারা। টার্মিনালের অফিসে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানানো হয়। ইজারার পর বন্ধ হয়ে যায় আগের ইজারাদারের টার্মিনালের সব অবৈধ ব্যবসা। এতে গাত্রদাহ শুরু হয় কালাম ও ফলিকের। আগের ইজারাদার কালাম ও ফলিক ওই বছরের ৬টি রোডের পাওনা ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় উকিল নোটিশ দেওয়া হয়। এমনকি সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি অবগত করার পরও তারা সমাধান করতে পারেনি।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ফের বাস টার্মিনাল ইজারা নেন আগের ফলিক। টার্মিনালকে কেন্দ্র করে তিনি আবার শুরু করেন অবৈধ মদ, জুয়া ও চাদাবাজি। এ অবস্থায় তাজমহল রেস্টুরেন্টেটি হাইকোর্টের আদেশ বলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করি, বলেন মহসীন কামরান। 
৬ জুন হাইকোর্টের ৬ মাসের আদেশ পাওয়ার পর সিটি মেয়র আপিল করেন। মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় ফলিককে টার্মিনাল সমঝে দেন মেয়র।