বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ওসমানীনগরে ইচ্ছেমতো বাড়তি বিদ্যুৎ বিল আদায়

নিউজ ডেস্কঃ  ওসমানীনগর উপজেলার  গ্রাহকদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো মিটারের রিডিং লিখে বাড়তি টাকা আদায় করে নিচ্ছে পলি বিদ্যুত অফিস। রিডিং হিসেব করে বিল দিতে যেখানে হিমশিম খাচ্ছেন গ্রাহকরা সেখানে চলছে জালিয়াতি , এ ব্যপারে পল্যি বিদ্যুতে কর্মরত উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নেই কোন নজরধারি।
উপজেলার সাধারণ গ্রাহকরা মিটারের রিডিং এর ব্যাপারে তেমন একটা ঘাটাঘাটি করেননি বরং অফিস থেকে যারা আসে তারা হিসেব করেই বিল লিখে যায়। মাসে কত ইউনিট জ্বলে তার হিসেব সকল গ্রাহক বুঝতে না পারায় যারা হিসেব করেন তারা তাদের ইচ্ছে মতো বিল লিখে নিয়ে যান। মাস শেষে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় দ্বিগুন বিলের কাগজ। একাধিক ভুক্তভোগি এ ব্যাপারে পলী বিদ্যুতের উর্দ্ধতন কতৃপরে সাথে আলাপ আলোচনা করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না।
উমরপুর ইউনিয়নের গ্রাহক ইকবাল আহমদ জানান ,তার বাড়ির মিটার থেকে গত ০২আগস্ট ২০১৭ ইং তারিখে বিল লিখে নেয়া হয়েছিলো তখন কাগজে  লেখা হয়েছিলো মিটারের রিডিং ১৪০০ ইউনিট। সেই বিলের কাগজ দেওয়া হয়েছে ১৬ আগস্ট ২০১৭ ইং। যখন কাগজটি হাতে পৌছে তখন মিটারের রিডিং ১৩৭১ ।
মধ্যেখানে পনের দিন কারেন্ট জ্বালানোর পরও মিটারের রিডিং যেখানে ১৪০০ হয়নি সেখানে বিলটা কিভাবে তৈরি করা হলো এবং কত টাকা বাড়িয়ে বিল নেওয়া হলো এমন প্রশ্ন এখন এ গ্রাহকের।
তিনি আরো জানান , বিষয়টি নিয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করার পর পলী বিদ্যুতে কর্মরত ব্যাক্তিবর্গ  তাকে আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টির সমাধান করবেন। কিন্তু যারা এব্যাপারে অজ্ঞ তাদের এসব সমাধান করবে কে ।
এব্যাপারে উপজেলার একাধিক গ্রাহকের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন , কাশিখাপন পলী বিদ্যুত অফিসে প্রতিনিয়ত চলছে দুর্নিতি। মিটারের রিডিং বাড়িয়ে শুধু একজন নয় এভাবে আরো গ্রাহকদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হচ্ছে। একটি ট্রান্সফরমারের আওতায় ১০-১৫টি মিটার থাকে। পুরো উপজেলা জুড়েই চলছে ইচ্ছেমতো মিটারের রিডিং লেখা । এতে সাধারণ গ্রাহকরা হচ্ছেন ভুক্তভোগি ,আর পলী বিদ্যুত অফিস হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।
বালাগঞ্জ জোনাল অফিস কাশিখাপনের ডি জি এম জহিরুল ইসলাম’র  কাছে বিষয়টির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন , ভূলবসত কোথাও যদি এরকম হয় তাহলে অফিস থেকে বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে এরকম কোন অভিযোগ আমরা পাইনি । যদি কোথাও এভাবে ভূল রিডিং লেখা হয়ে থাকে তাহলে এর বিহীত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।