শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০১৭

মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি, উদ্ধার সাড়ে ৭ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:কর্নাটকের শক্তিমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের বাড়িতে বুধবার ম্যারাথন তল্লাশি চালাল আয়কর বিভাগ। এদিনের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত কোটি নগদ, টাকা  জানিয়েছে পিটিআই। ৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে মন্ত্রীর দিল্লির বাসভবন থেকে, কর্নাটক থেকে উদ্ধার হয়েছে আড়াই কোটি টাকা। এই শিবকুমারের উপরই দায়িত্ব ছিল গুজরাটের ৪৪ জন বিধায়কদের একটি রিসর্টে নিরাপদে রাখার । সূত্রের খবর, যে রিসর্টে ৪৪ জন বিধায়ককে রাখা হয়েছিল সেই ঈগলটন রিসর্টেও এদিন হানা দেন আয়কর কর্তারা। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে আয়কর বিভাগ। সকাল ৭টা থেকে ম্যারাথন তল্লাশি শুরু হয় বেঙ্গালুরু ও কণকপুরীতে শিবকুমারের বাসভবনে। একইসঙ্গে শিবকুমারের ভাই ও তাঁর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। আয়কর বিভাগের অন্তত ১২০ জন অফিসার শিবকুমারের দপ্তর ও বাসভবনের ৩৯টি তলায় চিরুনি তল্লাশি চালান।

আনুষ্ঠানিকভাবে আয়কর দপ্তরের কর্তারা এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। শিবকুমারের রিসর্টে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে স্বীকার করেননি দপ্তরের কর্তারা। কোনও বিধায়ক নয়, শুধুমাত্র একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধেই যাবতীয় অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালার অভিযোগ, এই তল্লাশি অভিযান বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। গুজরাট থেকে রাজ্যসভার আসন জিততেই এই ঘৃণ্য কাজ করেছে বিজেপি, অভিযোগ কংগ্রেসের।কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রথমে ঘুষ দিয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের কিনতে চেয়েছিল বিজেপি। ওই চাল সফল না হওয়ায় হতাশ হয়ে আয়কর বিভাগের হানার ভয় দেখিয়ে বিধায়কদের হাত করতে চাইছে বিজেপি। এই অভিযোগে এদিন সংসদেও শোরগোল জুড়ে দেয় কংগ্রেস। দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত রাজ্যসভা মুলতুবি হয়ে যায়। আগামী ৮ আগস্ট রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত গুজরাটের কংগ্রেস বিধায়কদের একটি রিসর্টে রাখার দায়িত্ব ছিল এই শিবকুমারের উপরেই। রাজ্যের ছয় বিধায়ক দলত্যাগ করায় এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয় কংগ্রেসের তরফে।