বুধবার, ৮ মার্চ, ২০১৭

রাগীব আলীর মামলার রায় আগামী কাল

নিজস্ব প্রতিনিধি:পলাতক অবস্থায় থাকালীন সময় দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করার অভিযোগে আলোচিত শিল্পপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার রায় আগামী কাল ৯ মার্চ দেয়া হবে। 

সোমবার দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার এ তারিখ ধার্য করেন বিচারক।

এদিকে, পলাতক অবস্থায় প্রতারণার মাধ্যমে  দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করার পরও  জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে অনিয়ম করেছেন। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য  বাদী পক্ষের আইনজীবী আদালতে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।


গত ২মার্চ আলোচিত  এই মামলায় মোট তিন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ ৬ মার্চ যুক্তিতর্কের তারিখ ধার্য ছিল।  এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলার অভিযোগ গঠন করেছিলেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান জানান, দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকার সম্পাদকণ্ডলীর সভাপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল হাইয়ের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত আগামী ৯ মার্চ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করেছি। আশা করি এই আইনের অধীনে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।


মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাগীব আলী ও আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা করেন সিলেট নগরের উপশহরের বাসিন্দা ও ছাতক প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গিয়াস উদ্দিন তালুকদার। পলাতক অবস্থায় সম্পাদনাজনিত প্রতারণার অভিযোগে রাগীব আলীর ৫৮ বছর ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের ২৯ বছরের কারাদণ্ডের আবেদন করেন মামলার বাদী।

আদালত ওই দিন মামলাটি আমলে নিয়ে দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন। তবে সমন পাওয়ার পর জবাব না দেয়ায় পরের মাসে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এরআগে গত ২ ফেব্রুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির মাধ্যমে তারাপুর চা বাগান দখল মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে আব্দুল হাইয়ের ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেন একই আদালত।