রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

মোটরসাইকেল চালনায় নিরাপত্তার কৌশল

আজকাল প্রতিবেদন:তরুণদের জনপ্রিয় বাহন মোটরসাইকেল। এই বাহনটিতে চড়ে দ্রুত গতিতে গন্তব্যে পৌঁছা যায়। কিন্তু অনেকেই মোটরসাইকেল চালানোর সময় গতির সঙ্গে যেনো পাল্লা দেন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। নিরাপদে মোটরসাইকেল চালানোর কিছু কৌশল রয়েছে। এসব কৌশল অবলম্বন করলে দুর্ঘটনাহীনভাবে মোটরসাইকেল চালাতে পারবেন। জেনে নিন এসব কৌশল।

এক. মোটরসাইকেল চালনার সময় অবশ্যই হেলমেট পরিধান করুন। প্রয়োজনে জ্যাকেট পরুন। হাতে পরুন দস্তানা। এছাড়াও বাড়তি সতর্কতার জন্য পরতে পারেন এলবো এবং নি গার্ড।

দুই. মোটরসাইকেল চালনার সময় দেশের প্রচলিত ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। এসব আইন আপনাকে নিরাপদ রাখার পাশাপাশি আপনার ভ্রমণ হবে ঝামেলাহীন। 

তিন. মোটরসাইকেলের গতি রাখুন নিয়ন্ত্রণে। নিরাপদ গতিতে মোটরসাইকেল চালান। যাতে  যেকোনো বৈরী পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণে করা যায়।

চার. ইঞ্জিন নিউট্রাল অবস্থায় বিশেষ করে পাহাড়ি ঢাল বা কর্দমাক্ত রাস্তায় মোটরসাইকেল  চালাবেন না। 

পাঁচ. প্রয়োজন অনুযায়ী হর্ন, ইন্ডিকেটর এবং পার্সিং লাইট ব্যবহার করুন।

ছয়. যে সকল পোশাক  চাকা, ব্রেক পেডেল বা গিয়ার চেঞ্জার পেডেল পরিচালনায় বাধা বা সমস্যার সৃষ্টি করে সে সকল পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকুন। 

সাত. সঠিক ব্রেকের জন্য একই সঙ্গে হাত ও পায়ের ব্রেক ব্যবহার করুন। 

আট. আরামদায়ক ও স্বাভাবিক আসন নিশ্চিত করুন। 

নয়. ভাঙ্গা ও অসমান রাস্তায় কম গতিতে মোটরসাইকেল চালান।

দশ. কখনোই ওভারলোডে মোটরসাইকেল চালাবেন না। 

মোটরসাইকেল চালকের অবশ্যই করুনীয়: 
মোটরসাইকেল চালানোর আগে যেসব বিষয়ের ওপর লক্ষ্য রাখতে হবে: 

এক. ইঞ্জিন ওয়েল লেভেল পরীক্ষা করা।

দুই. ব্রেক লাইট ও অন্যান্য লাইটসমূহ পরীক্ষা করা

তিন. উভয় চাকার হাওয়ার প্রেসার পরীক্ষা করা।

চার. স্ট্রিয়ারিং(হ্যান্ডেল) ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করা

পাঁচ. মোটরসাইকেলে জ্বালানির পরিমান পরীক্ষা করা। 

ছয়. ব্যাটারির পানি পরীক্ষা করা।

সাত. ব্রেক ওয়েল এবং ব্রেকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।