বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

খোলা ডাস্টবিনে অতিষ্ট নগরীর মিরাবাজার বাসি

এম এ সামাদ:নগরীর মিরাবাজার এলাকায় "বলরামজিউর আখড়ার" রাস্তার বিপরীত পাশের খোলা ডাস্টবিনের দুর্গন্দ পথচারী ও যারা এই দিকে প্রতিদিন যাতায়ত করেন তাদের জন্য এই ডাষ্টবিন খুবই নেক্কারজনক ও ঘৃণার স্থান.খুলা ডাস্টবিনের দুর্গন্ধ দিনের বেলায় ও রাতে অতিষ্ট করে তুলে.স্কুল কলেজ এর শিক্ষার্থী,সাধারণ মানুষ ও বিশেষ করে প্রবাসীদের কাছে এই ডাষ্টবিন হতাশা ও ঘৃণিত বস্তু।

অত্র এলাকার একমাত্র ডাষ্টবিন হওয়ায় মিরাবাজার,নাইওরপুল ও আগপাড়া এলাকার বাসা বাড়ির বর্জ্য, আশেপাশের রেস্টুরেন্ট এর বর্জ্য এই ডাস্টবিনে অপসারণ করেন.তাই এই ডাষ্টবিন এ সবসময় আবর্জনার স্তুপ থাকে।


এই ডাস্টবিনের দুর্গন্ধ যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের কাছে অগ্রাহ্য ও খুব অল্প সম‌য়ে তারা এর বিকল্প চান.এই রকম খোলা ডাস্টবিন শুধু মিরাবাজারেই নয় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তার পাশে রয়েছে.এই সকল খোলা ডাস্টবিন পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিশেষ করে শিশুদের জন্য, ডাস্টবিনের জীবাণু খুব সহজেই শিশুদের কে আক্রান্ত করছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর উদ্দ্যাগে প্রতিদিন এই সকল ডাস্টবিন থেকে বর্জ্য অপসারণ করা হয়.কিন্তু এর দুর্গন্দ ও জীবাণু প্রতিকার এর জন্য কোনো পদক্ষেপ এখনো নেয়া হয় নাই।

বাসাবাড়ির পরিচ্ছন্নতার জন্য আমাদের সবাই কে এই সকল ডাস্টবিন প্রতিনিয়ত ব্যাবহার করতে হচ্ছে.সুস্থ নগরবাসীর উদ্বেগের বিষয় এই সকল ডাস্টবিন.এই ডাস্টবিন গুলোকে পুনরায় তৈরী করা হোক যাতে এর দুর্গন্দ ও আবর্জনা পথচারীদের অসুবিধার কারণ না হতে পারে এবং এর জীবাণু বিস্থার না হতে পারে.যেসকল এলাকায় ডাস্টবিন পরিমানে কম বা না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে ড্রেনে বা খালে বর্জ্য ফেলে থাকেন.এই সকল বর্জ্যের কারণেই বর্ষা কালে বৃষ্টির পানি রাস্তায় জমে,তাই জনগণের স্বার্থে আরো ডাস্টবিন নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।

নগর বাসীর স্বাস্থ্য গত নিরাপত্তার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে আমরা সরকারের হস্তকেপ কামনা করি.আমাদের প্রত্যাশা সিলেট সিটি কর্পোরেশন হইতে জরুরি পদক্ষেপ শীঘ্রই নেয়া হবে।