শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৭

বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবীদ কালাম আজাদ

শ্রদ্ধেয় কবি ও শিক্ষাবীদ কালাম আজাদ প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সিলেট সেন্ট্রাল ওমেন্স কলেজ যিনি তার বর্ণাঢ্য কবি ও সাহিত্যিক জীবনে লিখছেন অনেক কবিতা ও গল্পের বই.পত্র পত্রিকায় লিখেছেন কলাম এবং প্রাণবন্ত বাণী ও বক্তিতা দিয়ে সকল বয়সের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মৌলিক জীবন যাপন, শিক্ষা এর উন্নয়ন এবং অবকাঠামো পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন.উনি গুন্ এবং মেধার মাধ্যমে বহু জনের উন্নয়ন ও জীবন ব্যবস্থার পরিবর্তন আন্তে সক্ষম হয়েছেন.সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে তিনি অতি গ্রহণযোগ্য এবং সম্মানিত এক ব্যক্তি.আজ তিনি সিলেট আজকাল এর সম্পাদকের সাথে কথা বলেন আমরা জানতে চেয়েছি উনার বর্ণাঢ্য কবি ও সাহিত্যিক জীবনের উল্লেখযোগ্য কিছু অবদান যা তিনি আমাদের বলেছেন. চলুন যেনে নেই এই মহান ব্যক্তির জীবন দর্শন এবং সাহিত্যিক জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য অবদান আমাদের বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা ও পরিবর্তন আন্তে পেরেছে.

 

কালাম আজাদ বর্তমান সময়ের বয়সী কবি.জীবন ও জগতের বহুবিধ বিষয়ের আন্তরিক উপস্থাপনার নান্দনিক সমাবেশই তার কবিতা.কঠিন বিষয়ের সহজ উপস্থাপনা কালাম আজাদের কবিতার আরেক উজ্ঞল বৈশিষ্ট.কালাম আজাদের জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৬ আগস্ট,সিলেট জকিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ফুলতলী গ্রামে.পিতা: মরহুম আলহাজ্ব মো:হাবিবুর রহমান,মাতা:মরহুমা আয়েশা চৌধুরী এশা.পিতামাতার সাত সন্তানের মধ্যে কালাম আজাদ জোষ্ঠ.ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ এ বত্রিশ বছর প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে সিলেট শহরের সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ এ প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্বরত.

ছাত্র জীবন: আসমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সিএম সি কলেজ সিলেট থেকে এইচ এস সি, ১৯৬৮ সালে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক এবং ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্দালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন.

শিক্ষাবিদ ও কবি:১৯৬৫ সালে প্রথম কবিতা মাসিক জালালাবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়.১৯৯১ সালে আমার লেখা প্রথম বই সম্পাদক সমীপে প্রকাশিত হয়.আমার দ্বিতীয় বই নগ্নতার নিজস্ব প্রতিমা ঐ একি বৎসর প্রকাশিত হয়.১৯৯৪ সালে শতাব্দীর বৈশাখে এবং আমার বর্ণমালা বই প্রকাশ হয়েছে.আমার সর্বশেষ বই মৃত্তিকার ছাই ভস্ম ২০১২ সালে এবং সর্বশেষ খন্ড বয়সী প্রবন্ধ নামে ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে.শেষের আলো শিক্ত শিশির একমাত্র গল্পের বই ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে.তাছাড়াও আমার প্রথম প্রকাশনা সম্পাদকের সমিপের দ্বিতীয় খন্ড ২০১৬ সালে প্রকাশ পায়.  

বিশেষ প্রেরণা: কবি গুরু দেলোয়ার সিলেটের এক সময়কার একক কবি গুরু তিনি ছিলেন সকল কালের কবিদের গুরু.

বর্তমান প্রজন্ম:বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে পূর্বকালের তুলনায় বর্তমান প্রজন্মের কবিরা অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছেন. ভালো মানের গুণী কবিরা এখন আত্মপ্রকাশ করছেন.সিলেটের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য কবিদের মধ্যে মুকুল চৌধুরী যিনি এখন পর্যন্ত ২৪ টি কবিতার বই প্রকাশ করেছেন তারপর মামুন সুলতান, মুসা ও আল হাফিজ অন্যতম.সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ এর বিশেষ আয়োজনে প্রতি বৃহস্পতিবার সাহিত্যের আসর বসে.মোবাইল পাঠাগারে প্রতি শনিবার সাহিত্যের আসর হয়.মুলত এই সকল সাহিত্যের আসর থেকে কবি প্রতিভা উঠে আসে.