শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৭

স্বপ্ন ভূমি বিছনাকান্দি

আজকাল ভ্রমণ গাইড: সিলেট শহরের অদূরে গুয়াইনঘাট উপজেলায় বিছনাকান্দি গ্রামের অবস্থান.সবুজের সমারোহে খাসিয়া পাহাড়ের চূড়ায় বিছনাকান্দি জল প্রবাত এর উৎপত্তিস্থল এবং এই জলপ্রবাহ পাহাড়ী ঢোলে নিচে নেমে নদীতে রূপান্তরিত হয়েছে যা পিয়াইন নদী নামে পরিচিত.উঁচু পাহাড় আর পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ পানি আপনাকে নিয়ে যাবে অন্য এক স্বপ্নিল ভুবনে।

বিছনাকান্দির বহু রূপ.একেক ঋতুতে বিছনাকান্দির ভিন্ন রূপ দেখতে পাওয়া যায়.শীত কালে শীতল কুয়াশাচ্ছন্ন আর বর্ষাকালে সবুজ পাহাড় আর ঝর্ণা দেখা যায়।


এখন বছর জুড়েই বিছনাকান্দি পর্যটকদের পদাচরণায় মুখরিত থাকে.দেশের বিভিন্ন প্রান্ত পর্যটকেরা ছুটে আসছেন বিছনাকান্দির স্বচ্ছ পানি আর পাহাড় পর্বতের লুকোচুরি দেখতে.আপনাকে নৌকায় চড়ে বিছনাকান্দির মূল আকর্ষণ দুটি পাহাড়ের কেন্দ্র বিন্দু স্থল যার মাঝ দিয়ে পিয়াইন নদী বয়ে গেছে এইখানে যেতে হবে.ঘন্টা খানেক ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে আপনি পৌঁছাতে পারবেন মূল আকর্ষণ স্থলে.এইখানে খাবার বেবস্থা আছে তবে খাবার সাথে নিয়ে যাওয়াই ভালো.বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিবার নিয়ে বিছনাকান্দি ভ্রমণে যেতে পারেন।

তবে যারা বিছনাকান্দিকে জাফলং এর সাথে তুলনা করছেন তারা হয়তো প্রকৃতির আরেক সুন্দর নিদর্শন পাহাড়ি নদী ও বহু পাহাড়ের সমাগম স্থল কে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন.প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য বিছনাকান্দি হতে পারে উপযুক্ত ভ্রমণের স্থান।

বিশেষ করণীয়:বিছনাকান্দি আমাদের সিলেট অঞ্চল তথা বাংলাদেশের জন্য স্বর্গ থেকে পাওয়া এক আশীর্বাদ.আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই বিছনাকান্দি এবং আশেপাশের পরিবেশ পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ভালো মানের খাবার ও থাকার হোটেল নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি.পর্যটকদের গাড়ি পার্কিংয়ের বেবস্থা পর্যটক পুলিশ মুতায়ান এবং পাহাড় কে আরো ভালো করে পর্যবেক্ষণ করার জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ ও বসার জন্য পর্যাপ্ত স্থান নির্ধারণ.সরকারের এই সামান্য অবদান আমাদের বিছনাকান্দিকে করে তুলবে আরও মনোরম ও উপযুক্ত ভ্রমণ স্থল।