শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীরা টাকা ফেরত নিচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক:কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থীরা টাকা ফেরত নিচ্ছেনবুধবার সন্ধ্যায় জেলার রৌমারী ও কর্তিমারী বাজারের মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে ভোটারদের নিকট থেকে টাকা আদায় করছেন তারাএসময় বাকবিতণ্ডা, এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছেপ্রার্থী ও তাদের লোকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘শালা ভোট দিবি না তো টাকা নিলি ক্যানসবাই যে ভোট দেননি এমটাও নয়কেউ কেউ এর প্রতিবাদ করছেনবলছেন, ‘টাকা নিবেন তো নিবেন গালি দেন ক্যান
এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকার খেলটা প্রকাশ্যেই হয়েছেভোটপ্রতি ১০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন প্রার্থীরাযারা নিরীহগোচের ভোটার তারা ভোট কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্টদের সিল মারা ব্যালট দেখিয়েছেনযারা দেখাননি তারাই শুধু টার্গেটে রয়েছেন
এমন একজন প্রার্থীর নাম আব্দুল মালেকতিনি রৌমারীর যাদুরচর মডেল কলেজের প্রভাষকনির্বাচন করেছেন ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তার প্রতীক ছিল টিউবয়েলতিনি কয়েকজন ভোটারকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন
আক্ষেপ জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের নিকট তিনি বলেন, আমার নিজের ইউনিয়নে প্রতিজন ভোটারকে দিয়েছিলাম ১৩ হাজার করেতারা টাকা নিলো কিন্তু ভোট দিলো নাএতবড় মোনাফেকী কেউ করে?’
ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু সামা বলেন, টাকা ১৩ হাজার নেইনিকিছু কম আছেকিন্তু আমি তো ভোট দিয়েছি তারপরও আমার নিকট টাকা চাচ্ছে আব্দুল মালেকএটা কি করে হয়! টাকা দেইনি বলে বাজারে প্রকাশ্যে অপমান করেছে আমাকে
১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদা আক্তার স্মৃতি সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করেছেনতার প্রতীক ছিল মাইকতিনি বলেন, প্রতি ইউনিয়নে ৬০ হাজার করে টাকা দিয়েছিভোটও পেয়েছি বেশকিন্তু নির্বাচিত হতে পারলাম না
এর কারণ আমার নিজের ইউনিয়নের লোকজনই আমাকে ভোট দেয়নিযারা টাকা নিয়েছে তারাই আমার সঙ্গে বেইমানি করেছে